CEO Lamia Hossain: যিনি প্রতিটি ভুয়া লিংকের খোঁজ রাখেন
আমাদের সাইটে কোনো নতুন ফিচার চালু হওয়ার আগে একটা প্রশ্ন সবসময় ওঠে, “এটা দিয়ে কেউ কি প্রতারিত হতে পারে?” আর এই প্রশ্নটা যিনি প্রথম শিখিয়েছেন, তিনি CEO Lamia Hossain। বাংলাদেশের জন্য আমাদের MCW সাইটের দায়িত্ব তাঁর হাতে, এবং তাঁর কাছে খেলার আনন্দের আগে আসে একটাই কথা: আপনার অ্যাকাউন্ট যেন আপনার হাতেই থাকে।
এই পাতায় আমরা, তাঁর টিম, আপনাকে সেই মানুষটির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। কোনো বিজ্ঞাপনী ভাষা নয়, বরং যেভাবে আমরা তাঁকে প্রতিদিন কাজ করতে দেখি, ঠিক সেভাবে।

CEO Lamia Hossain কে? ব্যক্তিগত পরিচয়
লামিয়া হোসেন মানুষ হিসেবে শান্ত, কিন্তু সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়লে তাঁর প্রশ্ন থামে না। টিমের নতুন সদস্যরা প্রথম সপ্তাহেই বুঝে যান, তাঁর কাছে “সম্ভবত ঠিক আছে” কোনো উত্তর নয়।
নিচে আমরা তাঁর শেকড়, পড়াশোনা আর সেই অদ্ভুত অভ্যাসের কথা লিখছি, যেটা ছাড়া তাঁকে কল্পনা করা কঠিন।
খুলনার রূপসা পাড়ের মেয়ে
লামিয়ার বেড়ে ওঠা খুলনায়। ছোটবেলার বিকেল কেটেছে রূপসা নদীর ঘাটে, নৌকার আসা-যাওয়া দেখে, আর বাড়ির রান্নাঘরে চুইঝালের ঝাঁঝালো গন্ধে। আজও খুলনার কথা উঠলে তিনি প্রথমেই জিজ্ঞেস করেন, কেউ চুইঝাল দিয়ে খাসির মাংস খেয়েছে কি না।
কাজের প্রয়োজনে এখন বেশিরভাগ সময় ঢাকায় থাকলেও ঈদের ছুটিতে তিনি খুলনায় ফেরেন। তাঁর ভাষায়, ওখানে গেলে মাথা আবার পরিষ্কার হয়ে যায়।

পড়াশোনা, ভাষা আর সুন্দরবনের টান
তিনি খুলনায় হিসাববিজ্ঞান ও ফিন্যান্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। টাকা কীভাবে এক হাত থেকে আরেক হাতে যায়, আর সেই পথে কোথায় ফাঁক থাকে, এই বিষয়টাই তাঁকে সবচেয়ে বেশি টানত।
বাংলা তাঁর মাতৃভাষা, ইংরেজিতেও স্বচ্ছন্দ, আর খুলনার আঞ্চলিক টান মাঝে মাঝে মিটিংয়ে বেরিয়ে আসে। অবসরে তাঁর প্রিয় কাজ সুন্দরবনে নৌকাভ্রমণ। মোংলা থেকে লঞ্চে উঠে খালের ভেতর দিয়ে চলা, ভোরে বানরের ডাক আর কাদায় হরিণের পায়ের ছাপ খোঁজা, এগুলোই তাঁর ছুটি।
প্রতারণার খাতা
লামিয়ার ব্যাগে সবসময় একটা মোটা হাতে লেখা নোটবুক থাকে। নতুন কোনো প্রতারণার কৌশলের কথা শুনলেই তিনি সেটা তারিখসহ লিখে রাখেন: ভুয়া লিংক কেমন দেখতে ছিল, কী বলে ওটিপি চাওয়া হয়েছিল, মানুষটি কেন বিশ্বাস করেছিলেন।
টিমে আমরা এর নাম দিয়েছি “প্রতারণার খাতা”। তিনি হেসে বলেন, “ফোনের নোট মুছে যায়, কিন্তু কলমের দাগ থেকে যায়। আর প্রতারকরা একই কৌশল ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আবার আনে।”

CEO Lamia Hossain-এর সঙ্গে যোগাযোগের উপায়
অনেক পাঠক, ব্যবহারকারী আর অংশীদার জানতে চান, সরাসরি দায়িত্বপ্রাপ্ত মানুষের কাছে কথা পৌঁছানো যায় কি না। উত্তর হলো হ্যাঁ, এবং আমরা পথগুলো সহজ রেখেছি।
তবে একটা কথা আগেই বলে রাখি। নিচের চ্যানেলগুলো ছাড়া অন্য কোথাও থেকে কেউ নিজেকে আমাদের টিম বা CEO Lamia Hossain বলে দাবি করলে সেটাকে সন্দেহের চোখে দেখুন।
অফিসিয়াল যোগাযোগ পাতা ও লাইভ চ্যাট
অ্যাকাউন্ট, যাচাই, জমা বা উত্তোলন নিয়ে যেকোনো জরুরি প্রশ্নের জন্য আমাদের সাইটের লাইভ চ্যাট সবচেয়ে দ্রুত পথ। চ্যাটে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই উত্তর পাবেন।
যেসব বিষয় একটু সময় নিয়ে বলতে চান, যেমন কোনো সন্দেহজনক বার্তার স্ক্রিনশট বা পরামর্শ, সেগুলো সাইটের অফিসিয়াল যোগাযোগ পাতা থেকে পাঠান। দরকার হলে টিম বিষয়টি সরাসরি তাঁর কাছে তুলে দেয়।

সরাসরি ইমেইল
অংশীদারিত্বের প্রস্তাব, নিরাপত্তা নিয়ে মতামত বা কোনো প্রতারণার খবর জানাতে চাইলে লিখতে পারেন ceo@mcw3.irish ঠিকানায়। এই ইমেইলগুলো তিনি নিজে পড়েন, আর নতুন কোনো কৌশলের খবর পেলে সেটা তাঁর খাতাতেও জায়গা পায়।
মনে রাখবেন, আমাদের কেউ কখনো ইমেইল, ফোন বা মেসেজে আপনার পাসওয়ার্ড বা ওটিপি চাইবে না। এমন অনুরোধ এলে উত্তর না দিয়ে আমাদের জানান।

CEO Lamia Hossain-এর প্রতিষ্ঠার গল্প
এই সাইটের শুরু কোনো বড় পরিকল্পনা থেকে নয়, বরং অনেকগুলো ছোট ছোট অভিযোগ থেকে। সেই অভিযোগগুলো লামিয়া শুনেছিলেন তাঁর আগের চাকরিতে, দিনের পর দিন।
কীভাবে সেই অভিজ্ঞতা একটা ওয়েবসাইটের ভিত্তি হয়ে উঠল, সেটাই এখানে বলছি।
ব্যাংকের ফ্রড-প্রতিরোধ ডেস্কে কয়েক বছর
পড়াশোনা শেষে তিনি একটি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং কমপ্লায়েন্স ও ফ্রড-প্রতিরোধ টিমে যোগ দেন। সেখানে কয়েক বছর তাঁর কাজ ছিল সন্দেহজনক লেনদেন খুঁজে বের করা আর প্রতারিত গ্রাহকদের অভিযোগ বোঝা।
প্রায় প্রতিটি ঘটনার গল্প একই রকম ছিল। কেউ একটা ফোন পেয়েছেন, “আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে” শুনে ভয় পেয়ে ওটিপি বলে দিয়েছেন, তারপর সব শেষ। তিনি বলেন, “মানুষ বোকা বলে ঠকে না, ঠকে তাড়াহুড়োর মধ্যে পড়ে।”

অনলাইন খেলার জগতে একই ফাঁদ
ব্যাংকে থাকতেই তিনি খেয়াল করেন, অনলাইন খেলার প্ল্যাটফর্মগুলো ঘিরেও একই ধরনের প্রতারণা বাড়ছে। নকল সাইট, আসলের মতো দেখতে লিংক, আর “সাপোর্ট এজেন্ট” সেজে ওটিপি চাওয়া।
তখনই CEO Lamia Hossain ঠিক করেন, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য এমন একটা সাইট দরকার, যেখানে নিরাপত্তার কথা পাদটীকায় নয়, একেবারে সামনে থাকবে। সেই ভাবনা থেকেই এই দেশের জন্য আমাদের সাইটের যাত্রা শুরু।
নিরাপত্তাকে ভিত্তি করে সাইট গড়া
প্রথম দিকের টিম ছিল ছোট। লামিয়া প্রতিটি পাতা নিজে পরীক্ষা করতেন একজন প্রতারকের চোখ দিয়ে: কোথায় একজন ব্যবহারকারী বিভ্রান্ত হতে পারেন, কোন ধাপে কেউ ভুল লিংকে চলে যেতে পারেন।
যাচাই প্রক্রিয়া, লগইন সতর্কতা আর সাপোর্ট টিমের নিয়ম, সবকিছুর খসড়া তৈরি হয়েছে তাঁর ব্যাংকের অভিজ্ঞতা থেকে। MCW নামের পেছনে আমাদের এই স্থানীয় সাইটটা আজ যেমন, তার বেশিরভাগ সিদ্ধান্তের শুরু সেই প্রতারণার খাতার পাতায়।

CEO Lamia Hossain-এর নেতৃত্বে আমাদের অর্জন
আমরা সংখ্যা দিয়ে নিজেদের বড় দেখাতে চাই না। তার চেয়ে বরং বলি, কোন কাজগুলো সত্যিই ব্যবহারকারীদের জীবনে পার্থক্য এনেছে।
এই অর্জনগুলো এসেছে ধীরে, ব্যবহারকারীদের প্রশ্ন আর অভিযোগ শুনে শুনে।
বাংলায় সহজ যাচাই আর অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা গাইড
অ্যাকাউন্ট যাচাই কেন দরকার, কোন তথ্য কেন চাওয়া হয়, আর সেই তথ্য কীভাবে সুরক্ষিত থাকে, এগুলো আমরা পুরো বাংলায় সহজ ভাষায় লিখেছি। শক্ত পাসওয়ার্ড বানানো আর দুই ধাপের লগইন চালু করার গাইডও আছে।
CEO Lamia Hossain-এর একটা নিয়ম আছে: প্রতিটি গাইড এমনভাবে লিখতে হবে, যেন খুলনার কোনো চায়ের দোকানে বসে একজন প্রথমবার পড়লেও বুঝতে পারেন।

ভুয়া লিংক ও ওটিপি প্রতারণা নিয়ে সচেতনতা পাতা
আমাদের সাইটে একটা আলাদা সচেতনতা পাতা আছে, যেখানে আসল ঠিকানা চেনার উপায়, নকল সাপোর্ট মেসেজের নমুনা আর ওটিপি কখনো কাউকে না বলার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
এই পাতা নিয়মিত হালনাগাদ হয়, আর নতুন সতর্কবার্তার বেশিরভাগই আসে সেই হাতে লেখা নোটবুক থেকে। ব্যবহারকারীরা নিজেরাও এখন সন্দেহজনক বার্তা পাঠিয়ে জানতে চান, এটা আসল কি না।
নিরাপত্তা-প্রশিক্ষিত সাপোর্ট টিম ও দায়িত্বশীল খেলার পাতা
আমাদের সাপোর্ট টিমের প্রত্যেক সদস্য প্রতারণা চেনার প্রশিক্ষণ পান। কেউ অ্যাকাউন্ট হারানোর ভয়ে চ্যাটে এলে তাঁকে আগে শান্ত করা হয়, তারপর ধাপে ধাপে সাহায্য করা হয়।
পাশাপাশি আমরা একটি দায়িত্বশীল খেলার পাতা চালু করেছি, যেখানে সময় ও খরচের সীমা ঠিক করা আর বিরতি নেওয়ার উপায় লেখা আছে। এই প্ল্যাটফর্মে আমরা কখনো জেতার নিশ্চয়তা দিই না, কারণ সেটা সৎ কথা নয়।

CEO Lamia Hossain-এর ভবিষ্যৎ অঙ্গীকার
সামনের দিনগুলোতে কী করতে চান জিজ্ঞেস করলে লামিয়া একটা তালিকা দেখান, যার প্রথম লাইনেই লেখা: “নিরাপত্তা কখনো শেষ হয় না।”
সেই তালিকা থেকে কয়েকটা অঙ্গীকার এখানে তুলে দিলাম।
স্বচ্ছতা ও আরও শক্ত নিরাপত্তা
তিনি চান সাইটের নিয়ম, যাচাইয়ের ধাপ আর অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো আরও পরিষ্কারভাবে লেখা থাকুক, যাতে কাউকে অনুমান করতে না হয়। নতুন লগইন হলে সতর্কবার্তা আর সন্দেহজনক কার্যকলাপে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থাও আরও উন্নত করা হবে।
CEO Lamia Hossain-এর কথায়, “আমি চাই কোনো ব্যবহারকারী যেন কখনো ভাবতে না বাধ্য হন, আমার অ্যাকাউন্ট আসলে কার হাতে।” আমাদের MCW টিম এই অঙ্গীকার মাথায় রেখেই প্রতিটি নতুন কাজ পরিকল্পনা করে।

স্থানীয় পেমেন্ট সহায়তা, ভালো গাইড আর আইনের প্রতি সম্মান
স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে আরও সহজ গাইড, প্রতিটি ধাপে কোথায় সতর্ক থাকতে হবে তার ব্যাখ্যা, আর সাপোর্টে আরও দ্রুত উত্তর, এগুলো তাঁর পরবর্তী অগ্রাধিকার।
এই সাইট শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য, এবং প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে নিজের এলাকার প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে। খেলা যেন বিনোদনই থাকে, চাপ না হয়ে ওঠে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।

CEO Lamia Hossain-এর সঙ্গে যুক্ত থাকুন
আপনি যদি কোনো নতুন প্রতারণার কৌশল দেখে থাকেন, বা আমাদের কোনো গাইড বুঝতে কষ্ট হয়, আমরা শুনতে চাই। আপনার একটা বার্তা হয়তো আরেকজনকে ঠকে যাওয়া থেকে বাঁচাবে।
উপরের যোগাযোগ পাতা, লাইভ চ্যাট আর ইমেইল, এই তিনটিই আমাদের অফিসিয়াল পথ।
আপনার অভিজ্ঞতা জানান
কোনো সন্দেহজনক লিংক, ভুয়া মেসেজ বা অদ্ভুত ফোনকল পেলে তার বিবরণ পাঠান। কোথায় পেয়েছেন, কী চাওয়া হয়েছিল, এটুকু জানালেই যথেষ্ট।
এমন প্রতিটি খবর CEO Lamia Hossain নিজে দেখেন, আর দরকার হলে সচেতনতা পাতায় নতুন সতর্কবার্তা যোগ হয়।

আমাদের সঙ্গে থাকুন
এই পাতা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা চাই আপনি নিশ্চিন্ত মনে, নিজের সীমা মেনে আর নিরাপদ অ্যাকাউন্ট নিয়ে আমাদের সাইটে সময় কাটান।
MCW পরিবারে আপনাকে স্বাগতম। কোনো লিংক নিয়ে সন্দেহ হলে আগে আমাদের জিজ্ঞেস করুন, তারপর ক্লিক করুন।


